মধ্যনগরে ইউএনও’র তৎপরতায় বন্ধ হলো নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন
- আপলোড সময় : ২০-১২-২০২৫ ০৮:৫৭:৫৪ পূর্বাহ্ন
- আপডেট সময় : ২০-১২-২০২৫ ০৮:৫৭:৫৪ পূর্বাহ্ন
ধর্মপাশা ও মধ্যনগর প্রতিনিধি ::
মধ্যনগর উপজেলার বংশীকুন্ডা দক্ষিণ ইউনিয়নের মাকড়দী গ্রামের সামনে থাকা ঘাসী গাং নদী থেকে ড্রেজার মেশিন দিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন কার্যক্রম বন্ধ করা হয়েছে। উপজেলার বংশীকুন্ডা দক্ষিণ ইউনিয়নের বীর সিংহপাড়া গ্রামের বাসিন্দা ও সাবেক ইউপি সদস্য ফজর আলীর (৫৮) নেতৃত্বে তার নিয়োজিত লোকজন সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) সকাল থেকে প্রশাসনের অনুমতি না নিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে তা অন্যত্র বিক্রি করে আসছিলেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে করে উপজেলার বংশীকুন্ডা দক্ষিণ ইউনিয়নের মাকড়দী গ্রামের চার থেকে পাঁচটি বসতঘর ভাঙনের হুমকির মুখে ছিল। মধ্যনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) উজ্জ্বল রায়ের হস্তক্ষেপে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন কার্যক্রম বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) দুপুরে বন্ধ হয়েছে।
উপজেলার বংশীকুন্ডা দক্ষিণ ইউনিয়নের মাকড়দী গ্রামের কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, ওই গ্রামের সামনে ঘাসী গাং নদীটি রয়েছে। গত সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) সকাল ১০টার দিকে ওই নদীতে লোকজন নিয়ে উপজেলার বংশীকুন্ডা দক্ষিণ ইউনিয়নের বীর সিংহপাড়া গ্রামের বাসিন্দা ও সাবেক ইউপি সদস্য ফজর আলী সেখানে একটি ড্রেজার মেশিন বসিয়ে বালু উত্তোলন কার্যক্রম শুরু করে তা অন্যত্র বিক্রি আসছিলেন। তিনি এলাকায় খুবই প্রভাবশালী। বংশীকুন্ডা দক্ষিণ ইউনিয়নের মাকড়দী গ্রামের প্রায় ৩০মিটার দূর থেকে বালু উত্তোলন করায় ওই গ্রামের ৪ থেকে ৫টি বসতঘর ভাঙনের হুমকির মুখে ছিল। গত বুধবার সন্ধ্যায় এক গণমাধ্যমকর্মীর কাছ থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের খবরটি জানতে পারেন মধ্যনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএন) উজ্জ্বল রায়। পরে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে ওই ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত ইউপি চেয়ারমান দেলোয়ার হোসেনকে খোঁজ নিয়ে অবৈধভাবে এই বালু উত্তোলন কার্যক্রম বন্ধ করতে নির্দেশ দেন।
বংশীকুন্ডা দক্ষিণ ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত ইউপি চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন বলেন, আমি ইউএনও স্যারের নির্দেশ পেয়ে সাবেক ইউপি সদস্য ফজর আলীর সঙ্গে কথা বলেছি। তিনি আর বালু তুলবেন না বলে আমার কাছে মৌখিকভাবে অঙ্গীকার করেছেন।
সাবেক ইউপি সদস্য ফজর আলী বলেন, আমি ঘাসী গাং নদী থেকে আমার ব্যক্তিগত প্রয়োজনে ড্রেজার মেশিন দিয়ে যৎসামান্য বালু তুলেছিলাম। প্রশাসনের অনুমতি নেওয়া উচিত ছিল। এখন বালু উত্তোলন বন্ধ করে দিয়েছি।
ইউএনও উজ্জ্বল রায় বলেন, ভারপ্রাপ্ত ইউপি চেয়ারম্যানের সহায়তায় ওই নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন কার্যক্রম বন্ধ করা হয়েছে। প্রশাসনের অনুমতি না নিয়ে যে কেউ অবৈধভাবে বালু ও মাটি উত্তোলন করলে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ

মধ্যনগর প্রতিনিধি